শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

যোগাযোগ

দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ, চলছে দৃশ্যমানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি

দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ, চলছে দৃশ্যমানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি

পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। সেতুর ৩৮ নম্বর পিলারের ওপরের ক্যাপের খাঁচা উঠে গেছে। রড ঝালাই করে লাগানো হচ্ছে। খুঁটিটির শেষ ধাপ এই পিলার ক্যাপের ঢালাই ১৩ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে ৩৭ নম্বরের পিলার ক্যাপের খাঁচা কুমারভোগের কনসট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে জাজিরায় নেয়ার কাজ শুক্রবার রাতে শুরু হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর খাঁচাটি ৩৭ নম্বর খুঁটিতে স্থাপন করা হবে। ৩৭ নম্বর ক্যাপটি অপেক্ষাকৃত বড়। এর পরে ১৫ সেপ্টেম্বর এর ঢালাই করার কথা রয়েছে। এই নিয়ে পদ্মায় এখন ভীষণ ব্যস্ততা। ৪ আগস্ট ৩৮ নম্বর পিলারের উপরের ক্যাপের খাঁচা লাগানো হয়। এর আগে রডের বিশাল ক্যাপের খাঁচা তৈরি করা হয় কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের পাশে ভাসমান জেটিতে।

পায়রা বন্দর ঘিরে বিশাল কর্মযজ্ঞ

পায়রা বন্দর ঘিরে বিশাল কর্মযজ্ঞ

রামনাবাদ নদীর তীরে চালু হয়ে গেছে দেশের তৃতীয় আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দর পায়রা। কৃষি আয় দিয়ে জীবন ধারণে অভ্যস্ত বাংলাদেশের মধ্য উপকূলের বাসিন্দারা ক’দিন আগেও সমুদ্র বন্দর আর শিল্পায়নের গল্প শুনতেন, স্বপ্ন দেখতেন সিঙ্গাপুরের মতো নগর জীবনের। এখন সাগরকূলের গ্রাম পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া আর টিয়াখালীতে চলছে সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন। যেখানে গত ১৩ আগস্ট চালু হয়েছে দেশের নতুন সমুদ্র বন্দর পায়রা, যার ১৬ একর জমি জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন অবকাঠামো। প্রথম ধাপে নির্মিত হয়েছে জেটি, অত্যাধুনিক কন্টেইনার ইয়ার্ড, শুল্ক ষ্টেশন, নিরাপত্তা ভবন, খাবার পানির শোধনাগার, সৌর বিদ্যুত্ চালিত বাতি আর টানা হয়েছে পল্লী বিদ্যুতের তার। ইতোমধ্যে জেটি ও আন্ধারমানিকসহ আশেপাশে নদীতে নোঙ্গর করেছে ১২টি লাইটারেজ জাহাজ। রামনাবাদ চ্যানেলের বহির্নোঙ্গরে অপেক্ষায় রয়েছে পদ্মা সেতুর জন্য চীন থেকে ৫৩ হাজার টন পাথর নিয়ে বন্দরে প্রথম আগত মাদার ভেসেল ফরচুন।

যাত্রী হয়ে বাসে চড়ে অফিস গেলেন ওবায়দুল কাদের

যাত্রী হয়ে বাসে চড়ে অফিস গেলেন ওবায়দুল কাদের

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবার যাত্রী হয়ে বাসে ভ্রমণ করলেন। তিনি টিকিট কেটে উঠে পড়েন বাসে। বৃহস্পতিবার সকাল পৌণে ১০টার দিকে ওবায়দুল কাদের রাজধানীর আসাদগেট এলাকা থেকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) একটি দোতলা বাসে করে সচিবালয়ে গিয়ে অফিস করেছেন। পরে বিআরটিসির বাসে যাত্রীদের সঙ্গে বসা একটি ছবিও নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। যানজট পেরিয়ে প্রায় ১ ঘণ্টা পর পৌণে ১১টার দিকে প্রেসক্লাবের সামনে পৌঁছান তিনি। এসময় যাত্রীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ পেয়ে বিআরটিসির মতিঝিল ডিপোর পরিচালক (প্রকৌশল) ও ব্যবস্থাপককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন তিনি। সেতু বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

চলন্ত ট্রেনে সন্তান প্রসব

চলন্ত ট্রেনে সন্তান প্রসব

চলন্ত ট্রেনে যাত্রীদের সহায়তায় সন্তান প্রসব করেছেন ২১ বছর বয়সী এক মা। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় ভারতে এ ঘটনা ঘটে। নম্রিতা এবং যোগেশ নারায়ন দম্পতি সোমবার সকালে বাসা থেকে বের হন। ওই সময় স্ত্রী নম্রিতা তার স্বামীকে তল পেটে ব্যথার কথা জানান। তখনই তারা হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর জন্য সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তাদের বাসা থেকে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার কোনো উপায় ছিল না। হাসপাতালে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা একটি শার্টল ট্রেনে ওঠেন। তবে ট্রেনে উঠে আর ব্যথা সহ্য করতে পারেননি নম্রিতা। পরে ট্রেনের অন্য যাত্রীদের সহায়তায় ট্রেনের একটি কামরায় কন্যাসন্তান প্রসব করেন নম্রিতা। এসময় সব পুরুষ যাত্রীরা সড়ে দাঁড়ান এবং নারীরা নম্রিতাকে ঘিরে দাঁড়ান। পরে রেলওয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের সহায়তায় মা এবং সন্তানকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। মা এবং সন্তান উভয়েই বর্তমানে সুস্থ আছেন। সূত্র: মিডডে।

৪ দেশের সাথে যোগাযোগের দ্বার খুলতে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চালু হচ্ছে

৪ দেশের সাথে যোগাযোগের দ্বার খুলতে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চালু হচ্ছে

দীর্ঘ ১৮ বছর অপেক্ষার পর অবশেষে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন (যাত্রী পরিবহন) চালু হচ্ছে আজ। কিছু সময় বাদেই খুলে যাবে বাংলাদেশ-ভারতের সংস্কৃতি আর পর্যটন উপভোগের অপার সম্ভাবনার দুয়ার। একইসঙ্গে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারও ঘটবে। এছাড়া এই বন্দরটিই হতে পারে নেপাল ও ভুটান যাতায়াতের একমাত্র স্বল্পযাত্রার সহজ স্থলপথ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান ইত্তেফাককে জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ভারতের কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. জেনারেল (অব.) বিজয় কুমার সিংহ, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার শ্রী হর্ষ বর্ধন শ্রিংলাসহ উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ি স্থলবন্দর খুলে দেবেন আজ। আর এর মধ্য দিয়ে চারদেশীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার বন্ধ দরজা খুলে যাবে। ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নসহ আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি জানান। প্রসঙ্গত, এই স্থলবন্দর থেকে ওপারের পর্যটন শহর শিলিগুড়ি মাত্র ৮ কিলোমিটার, জলপাইগুড়ি শহর ১০ কিলোমিটার, দার্জিলিং ৫৮ কিলোমিটার, নেপালের কাকড়ভিটা ৬১ কিলোমিটার ও ভুটানের ফুয়েন্টসিলিং ৬৮ কিলোমিটার। দিনাজপুর থেকে স্টাফ রিপোর্টার মতিউর রহমান ও পঞ্চগড় প্রতিনিধি আশরাফুজ্জামান খোকন জানান, বাংলাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসাবে নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয় ১৯৯৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর। সার্কভুক্ত নেপাল, ভুটান ও ভারতের সাথে সড়ক পথে বাণিজ্য প্রসারের লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাবান্ধায় স্থলবন্দরের অবকাঠামো গড়ে তোলে। ২০০৪ সালের ২২ মে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতিতে এ বন্দরের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু উদ্বোধনের মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্থলবন্দরের দায়িত্বে থাকা ইমিগ্রেশন, ব্যাংক এবং অন্যান্য সুবিধার জন্য নিয়ে আসা কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে খাল নেই তবুও কালর্ভাট ॥ সওজের বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ

লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে খাল নেই তবুও 
কালর্ভাট ॥ সওজের বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ

লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে নতুন করে প্রায় ৩১লাখ টাকায় ব্যয়ে কালভার্ট নির্মান কাজ শুরু করেছে লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)। যে কেউ দেখলেই চোখ কপালে তুলে খুব সহজেই বলবেন, এটি হচ্ছে “সওজের একটি অন্যতম সহজ কাজ!” পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার পরেও তৈরী করা হচ্ছে কালর্ভাট। এ ঘটনায় এলাকায় সওজ’র বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। সরকারের বিপুল অংকের টাকা ব্যয়ে নির্মিক কালভার্টটি রয়েছে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী বাজারে। জেলার গুরুত্বপূর্ন এই বাজারের উপর দিয়ে মহাসড়কটি অবস্থিত। মহাসড়কের সাথে এবং বাজারের উত্তরদিকে কিছুটা এগুলেই চোখে পরবে সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ঠিক এর পাশেই আগে একটি বক্স কালভার্ট ছিল বাজারের পানি নিস্কাশনের জন্য। কিন্তু আইন অমান্য করে বক্স কালভার্টটির দু’পাশেই মাটি ভরাট করে অনেক আগেই অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে দোকানপাট। গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের একটি কালভার্ট এর পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ করা হলেও সওজ একদিকে যেমন কোন ব্যবস্থা নেয়নি, ঠিক তেমনি অপ্রয়োজনীয় স্থানে নতুন করে শুরু করেছে কালভার্ট নির্মান কাজ। পুরোনো কালর্ভাটটিকে অচিলা করেই সওজের এমন উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন সচেতনমহল। জানাগেছে, সওজের একটি প্যাকেজ দরপত্রে লালমনিরহাট-বুড়িমারী জাতীয় মহসড়কের সাপ্টিবাড়ী ও ভুল¬্যারহাট নামক স্থানে একই ডিজাইনে দুটি বক্স কালভার্ট নির্মানের কার্যাদেশ দেওয়া হয় কুড়িপ্রামের ঠিকাদার কে এম আবু বক্করকে। যার একেকটির ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৩০ লাখ ৯৪ হাজার ৫’শ টাকা করে। কার্যাদেশ পাওয়ার পর গত জানুয়ারী মাসের প্রথম দিকে কালভার্ট নির্মানের কাজ শুরু করে সংশি¬ষ্ট ঠিকাদার। পুরনো কালভাটর্টি ভেঙ্গে ফেলে একই স্থানে নতুন করে তৈরী করা হচ্ছে আরেকটি কালভার্ট। ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে পুনরায় রিভিউ আবেদন করে অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দরপত্র আহবান করা ওই সময়ে (ইষ্টিমেট তৈরীর সময়) সেখানে পানি প্রবাহের জন্য একটি চ্যানেল ছিল। কিন্তু বর্তমানে দু’পাশের জমির মালিক তা বন্ধ করে দোকান নির্মান করায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। সরেজমিন দেখা গেছে, নির্মানাধীন কালভার্টটির পশ্চিম পার্শ্বে বড় একটি ভবন তৈরী করা হয়েছে। আর পূর্ব দিকে মাটি কেটে সেখানেও দোকানপাট নির্মানের প্রস্তুতি চলছে। এসময় কালভার্টটির মুখ বন্ধ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা কোন মালিককেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। এবিষয়ে কথা হলে সাপ্টিবাড়ী বাজারের ব্যবসায়ী শামছুল হুদা বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় স্থানে কালভার্টটি তৈরী করে সওজ কার উপকার করছে তা তারাই ভাল বলতে পারবেন।’ নির্মানাধীন ওই কালর্ভাট দিয়ে বর্ষা মৌসুমেও এক ফোটা পানি নিস্কাশন করার ক্ষমতা সওজের নেই। ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম বলেন, কালর্ভাটটি স্থানীয় জনগনের জন্য নয় বরং এটি সওজ কর্তৃপক্ষ আর ঠিকাদার ছাড়া আর কারো উপকারে আসবে না। এবিষয়ে আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জহুরুল ইসলাম জানান, পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে সেখানে বর্ষা মৌসুমে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু রাতারাতি সেখানে দোকানপাট গড়ে তোলে পানি নিস্কাশনের পথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

আজ থেকে ট্রেনের ভাড়া বেড়েছে ৭.৩২ শতাংশ

আজ থেকে ট্রেনের ভাড়া বেড়েছে ৭.৩২ শতাংশ

আজ থেকে রেলের ভাড়া বাড়ল ৭.৩২ শতাংশ। তিন বছরের মাথায় আরেকদফা বাড়ল ট্রেনের যাত্রী ও কনটেইনার পরিবহন ভাড়া। আজ ২০শে ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন এ ভাড়া কার্যকর হয়েছে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে সিপিবি ও বাসদ। এবার গড়ে ভাড়া বাড়ছে সাড়ে ৭ শতাংশ। যাত্রীদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন স্টেশনে নতুন ভাড়ার তালিকা টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত নতুন ভাড়া অনুসারে টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে। নতুন হারে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে শোভন শ্রেণীর ভাড়া ২৬৫ টাকা থেকে বেড়ে ২৮৫ টাকা, শোভন চেয়ার ৩২০ থেকে ৩৪৫, এসি চেয়ার ৬১০ থেকে ৬৫৬, এসি সিট ৭৩১ থেকে ৭৮৮ ও এসি বার্থ ১০৯৩ থেকে ১১৮৯ টাকা হবে। ঢাকা-খুলনা রুটে শোভন শ্রেণীর ভাড়া ৩৯০ টাকা থেকে বেড়ে হবে ৪২০ টাকা, শোভন চেয়ার ৪৬৫ থেকে ৫০৫, এসি চেয়ার ৮৯১ থেকে ৯৬১, এসি সিট ১০৭০ থেকে ১১৫৬ ও এসি বার্থ ১৫৯৯ থেকে বেড়ে হবে ১৭৩১ টাকা।

বেদখল হওয়া রেলের সম্পত্তি উদ্ধার করা হবে : রেলপথমন্ত্রী

বেদখল হওয়া রেলের সম্পত্তি উদ্ধার করা হবে : রেলপথমন্ত্রী

রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, যে কোন মূল্যে বেদখল হওয়া রেলের সম্পত্তি উদ্ধার করা হবে। এ জন্য সরকার প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সোমবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য শামীম ওসমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। সরকারি দলের সদস্য মিসেস আমিনা আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, খুলনা-কলকাতা-খুলনা রুটে বেনাপোল দিয়ে আরো একটি আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেস নামে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে যা সপ্তাহের ৩ দিন বাংলাদেশ থেকে ভারতে এবং ৩ দিন ভারত থেকে বাংলাদেশে চলাচল করে। মুজিবুল হক বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে দৈনিক মোট ৩৪১টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। সরকারি দলের সদস্য বেগম সানজিদা খানমের এক প্রশ্নের জবাবে মুজিবুল হক বলেন, বর্তমানে দেশের ৪৪টি জেলা রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত। সরকারি দলের সদস্য এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে করিডোর ডাবল লাইনে উন্নীতকরণ, বিদ্যমান রেলপথের মানোন্নয়ন, রোলিং স্টক সমস্যা দূরীকরণ, জনবলের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বৃদ্ধি তথা বাংলাদেশ রেলওয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত ২০ বছরে বাস্তবায়নের জন্য রেলওয়ে একটি মহাপরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করেছে। মন্ত্রী বলেন, ওই মহাপরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ২৩৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মোট ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৪৪ কোটি ২১ লাখ টাকার প্রয়োজন হবে।

নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনে, যাত্রীদের দুর্ভোগ

নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনে, যাত্রীদের দুর্ভোগ

বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশন দ্বিতীয় দিনের মতো ধর্মঘট পালন করছে। এতে করে তীব্র দাবদাহে নৌযান নির্ভর দূর পাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। শুক্রবার সকাল থেকে সংগঠনটির ব্যানারে ধর্মঘট অব্যাহত রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সর্বনিম্ন মজুরি ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ ও গ্রহণযোগ্য পে-স্কেল ঘোষণাসহ সাতদফা দাবিতে বুধবার রাত ১২টা থেকে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন ও বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকে ধর্মঘট শুরু হয়। বৃহস্পতিবার থেকে নৌপথে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন নৌযানে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীরা।

ওভারলোড কন্ট্রোল মেশিন বন্ধ

ওভারলোড কন্ট্রোল মেশিন বন্ধ

ওভারলোড কন্ট্রোল মেশিন গত ৪ মাস ধরে বন্ধ থাকায় হুমকির মুখে পড়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা ও মেঘনা-গোমতী সেতু। দেশের অর্থনৈতিক লাইফ লাইনখ্যাত এ মহাসড়কের সেতু দুটি গত দুই বছর আগে ৪৩৭ কোটি টাকায় মেরামত করা হলেও বর্তমানে ওজন নিয়ন্ত্রণ ছাড়া বিনা বাধায় দুটি সেতুর ওপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করছে। এ ছাড়া একটি প্রতিষ্ঠান ওই দুটি সেতুতে অতিরিক্ত টোল আদায় করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে একাধিক পরিবহন মালিক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী, নৌ-মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিবসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানা গেছে। সরেজমিনে মেঘনা ও গোমতী সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় ঘুরে ও যানবাহনের চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মালবাহী ১৬ চাকার ট্রেইলর ও কার্গো, ট্রাক, যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাসসহ হালকা ও ভারী বিভিন্ন যানবাহন থেকে কম্পিউটার রশিদের মাধ্যমে টোল আদায় করছে সিএনএস টেকনোলজি নামক একটি প্রতিষ্ঠানের লোকজন। কিন্তু টোল আদায়ের ওই রশিদে তারা টোল প্রদানকারী গাড়ির নম্বর ও গাড়ির ধরন উল্লেখ করছেন না। অতিরিক্ত টোল আদায়ের কারণে প্রতিদিন টোলপ্লাজায় স্থানীয় হোমনা পরিবহন, গজারিয়া, মতলব, ইলিয়টগঞ্জ ও বিনোদনসহ বিভিন্ন পরিবহনের চালকদের সাথে বাক-বিতণ্ডার ঘটনা ঘটছে। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মেঘনা ও গোমতী সেতুর টোল আদায়ের জন্য নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ‘এশিয়া ট্রাফিক এন্ড টেকনোলজিস্ট’ এবং ‘এমএম বিল্ডার্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লি.’ যৌথ কোম্পানির মেয়াদ শেষ হয়। একই দিন সড়ক ও জনপথ (সওজ) ঢাকা জোনের অধীনে নারায়ণগঞ্জ সওজ বিভাগ টোল আদায়ের দায়িত্ব পায়। কিন্তু বাস্তবে বিনা টেন্ডারে ‘সিএনএস টেকনোলজি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান টোল আদায় করছে। ওই টোলের রশিদে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নাম নেই, সিএনএস টেকনোলজি নামক প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। এদিকে ‘সিএনএস টেকনোলজি’ প্রতিষ্ঠানের টোল আদায় অবৈধ দাবি করে গত বছরের ১৯ অক্টোবর ‘ইনফ্রাটেক কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লি.’ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হাইকোর্টে মামলা করেন। স্থানীয়রা জানান, ওভারলোড কন্ট্রোল মেশিন দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ১৬ চাকার ট্রেইলর ও কার্গো, ট্রাকসহ অতিরিক্ত মাল বোঝাই ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে দুটি সেতু হুমকির মুখে পড়েছে। এদিকে অতিরিক্ত টোল আদায়ের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেন হানিফ এন্টারপ্রাইজ পরিবহনের চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন। এতে উল্লেখ করা হয়, এ পরিবহনের প্রতিটি বাস থেকে সরকার নির্ধারিত ৪৫০ টাকার স্থলে ১২শ’ টাকা করে টোল আদায় করা হচ্ছে। এতে ওই পরিবহনের মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উল্লেখ করে এর প্রতিকার চেয়েছেন। এ ছাড়া অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধের দাবি জানিয়ে দাউদকান্দির সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে মোশারফ হোসেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবের নিকট অভিযোগ দাখিল করেন। ওই অভিযোগে সরকারের নীতিমালা অমান্য করে সিএনএস টেকনোলজি নামের প্রতিষ্ঠান ট্রেইলর থেকে ১২৫০ টাকার স্থলে ১৪০০-১৫০০ টাকা, হেভিট্রাক ৫০০ টাকার স্থলে ৬০০-৮০০ টাকা, মিডিয়াম ট্রাক ১৯০ টাকার স্থলে ৪৫০-৫০০ টাকা, বড় বাস ৪৫০ টাকার স্থলে ১২০০ টাকা, মিনি ট্রাক ৯০ টাকার স্থলে ১৫০ টাকা, কৃষি কাজে ব্যবহূত যান ট্রাক ৩০০ টাকার স্থলে ৪০০ টাকা, মিনিবাস ১৮৫ টাকার স্থলে ২০০ টাকা ফোর হুইল চালিত যানবাহন ৯০ টাকার স্থলে ১০০ টাকা, সিডার কার ৬৫ টাকার স্থলে ৯০ টাকা অতিরিক্ত টোল আদায় করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়। ইনফ্রাটেক কনস্ট্রাকশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী হায়দার জানান, অবৈধভাবে টোল আদায়ের প্রতিবাদে কোম্পানির পক্ষ থেকে হাইকোর্টে মামলা হয়েছে। যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। মামলা চলমান অবস্থায় এবং বিনা টেন্ডারে ও কার্যাদেশ ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানের টোল আদায় সম্পূর্ণ অবৈধ বলে তিনি দাবি করেন। সিএনএস টেকনোলজির কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইফতেখার বলেন, আমরা বিগত ৪ মাস ধরে সড়ক ও জনপথের অধীনে জনবল সাপ্লাইয়ের কাজ করছি। অতিরিক্ত টোল আদায় করছি না। সড়ক ও জনপথ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুস সালাম জানান, ‘আমি সর্বশেষ গত ২১ জানুয়ারি সরেজমিনে দুটি সেতুর টোলপ্লাজা পরিদর্শন করেছি। ওভারলোড কন্ট্রোল মেশিনের বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। আশাকরি, এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে দায়ের করা মামলা বর্তমানে চলমান রয়েছে। তবে কাউকে অতিরিক্ত টোল আদায় করতে দেখিনি।’

শহরজুড়ে তাণ্ডব, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এএসপি ও ওসি প্রত্যাহার

শহরজুড়ে তাণ্ডব, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এএসপি ও ওসি প্রত্যাহার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত এক সতীর্থের মৃত্যুর পর শহরজুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে মাদ্রাসাছাত্ররা। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২ জন পুলিশকর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তারা হচ্ছেন, সদর মডেল থানার এ এস পি তাপস রঞ্জন ঘোষ ও সদর মডেল থানার ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাস।তাদেরকে প্রত্যাহার করে চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডি আইজি অফিসে যোগদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে পুলিশের একটি সূত্র জানায়। এদিকে মঙ্গলবার এই তাণ্ডবে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ও ভাংচুর হয়েছে। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গন ভাংচুরের পাশাপাশি সুর সম্রাটের স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রও পুড়িয়ে দেয় মাদ্রাসার ছাত্ররা। ভাংচুরের মধ্যে পড়েছে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্সের ব্যাংক এশিয়া, প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রও।

ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর পরামর্শ

ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর পরামর্শ

যাত্রী সেবার মান ‘ঠিক রেখে’ রেল মন্ত্রণালয়কে ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। মঙ্গলবার সংসদ ভবনে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ পরামর্শ দেয়া হয়। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের বর্তমান যে ভাড়া আছে সেটা খুবই কম। আমরা এজন্য বাড়াতে বলেছি। তবে এখানে অনেকগুলো ফ্যাক্টর আছে। সবকিছু বিবেচনা করে ভাড়া বাড়ানোর জন্য বলা হয়েছে।’ সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি তোলায় বিভিন্ন গন্তব্যে ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির এই পরামর্শ দেয়া হয়। তবে যাত্রীসেবার মান ঠিক রেখে সাধারণ শ্রেণির ভাড়া যাতে বেশি বাড়ানো না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।’ দীর্ঘ ২০ বছর পর ২০১২ সালে বাংলাদেশে ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো হয়, কিলোমিটার প্রতি গড় ভাড়া ২৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে করা হয় ৩৬ পয়সা। সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধি করার বিষয়টি বৈঠকে তোলা হয়। পরে সংসদীয় কমিটি এ বিষয়ে পরামর্শ দেয়। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে জরুরি ভিত্তিতে রেল প্রকৌশল বিভাগ চালু এবং ভবিষ্যতে একটি পূর্ণাঙ্গ রেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কমিটির সভাপতি বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রেল নিয়ে আলাদা ইন্সটিটিউট রয়েছে। রেলে প্রচুর দক্ষ জনবল প্রয়োজন। সেজন্য এই সুপারিশ করা হয়েছে।’ বৈঠকে ঢাকার বঙ্গবাজারের কাছে ফুলবাড়িয়া এলাকায় রেলের ২ দশমিক ৮৭ একর এবং চট্টগ্রামে স্টেশন সংলগ্ন নিউ মার্কেটের কাছে ১ দশমিক ৩৫ একর জমিতে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। ফজলে করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ কমিটির সদস্য রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এবং ইয়াসিন আলী বৈঠকে অংশ নেন।

যানজট কমাতে ট্রাকস্ট্যান্ড-কারওয়ান বাজার রুট ব্যবহারের অনুরোধ

যানজট কমাতে ট্রাকস্ট্যান্ড-কারওয়ান বাজার রুট ব্যবহারের অনুরোধ

সাতরাস্তা-মগবাজার সড়ক হতে অল্প সময়ে নিকট গন্তব্যে যেতে চান এমন যাত্রীদের ট্রাকস্ট্যান্ড-কারওয়ান বাজার রুট ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. আবু ইউছুফ। বৃহস্পতিবার ছোট যানবাহন ব্যবহারকারীদের এ আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, সাতরাস্তা-মগবাজার সড়ক ব্যবহারকারী ছোট গাড়ি অপেক্ষাকৃত অর্ধেক সময়েই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। ট্রাকস্ট্যান্ড-কারওয়ান বাজার রুট ব্যবহার করে যে কোনো যাত্রী কম সময়ে বেইলী রোড, কাকরাইল, পল্টন, বাংলামোটর, শাহবাগসহ পশ্চিমের যে কোন গন্তব্যে যেতে পারবেন। তিনি বলেন, তেজগাঁও সাতরাস্তা ট্রাকস্ট্যান্ড পার্কিং মুক্ত হওয়ার পর থেকে ট্রাকস্ট্যান্ড ও কারওয়ান বাজারে পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এতে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে এটিএন নিউজ বা প্রথম আলো পত্রিকার সামনে দিয়ে হোটেল সোনারগাঁও পৌঁছানো সম্ভব। মগবাজার মালিবাগ রাস্তায় গমনকারী ব্যতিত সকল গন্তব্যে যেতে এ রুট ব্যবহার করতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, ডিসি ট্রাফিক (উত্তর) প্রবীর কুমার রায় ও এডিসি ট্রাফিক (উত্তর) হুমায়রা পারভীনের নির্দেশ ও সহযোগিতায় সাতরাস্তা পলিটেকনিক এর ফুটওভার ব্রিজ থেকে লেন ভাগ করে দেয়া হয়েছে। এ কারণে সকল যাত্রীবাহী বাস বাধ্যতামূলকভাবে বাম লেনে চলাচল করছে। এতে অন্যান্য সকল ছোট যানবাহন ডান লেন দিয়ে দ্রুত বেড়িয়ে যেতে পারছে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হচ্ছে মগবাজারে যাওয়ার গাড়ি ব্যতিত সকল ছোট গাড়ি ট্যাকস্ট্যান্ড ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে চলে যাবে। ফলে উভয় প্রকার গাড়ি কম যানজটে পড়বে।” তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ট্রাফিক বিভাগের এমন উদ্যোগ ও সাইনবোর্ড লাগানো সত্ত্বেও আশানুরূপ ফল মিলছে না। অনেকে কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, পান্থপথ যেতে অজ্ঞাত কারণে ট্রাকস্ট্যান্ড-কারওয়ান বাজার সড়ক ব্যবহার করছেন না।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন 'ভুয়া': সড়কমন্ত্রী

যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন 'ভুয়া': সড়কমন্ত্রী

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি উপস্থাপিত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পরিসংখ্যান তথ্য নির্ভর নয় বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার সচিবালয়ে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের ২৪তম সভা শেষে সমিতির উপস্থাপিত প্রতিবেদনকে 'ভুয়া' বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যাত্রী কল্যাণ সমিতির রিপোর্টের বেসিসটা কী? কিভাবে তারা রিপোর্ট করে, তাদের মেকানিজমটা কী? এ সংগঠন সম্পর্কে আপনারা অনেকেই জানেন, এমন একটা ভুয়া রিপোর্ট।’ ২০১৫ সালে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় সাড়ে ৮ হাজার মানুষ মারা গেছে বলে গত শনিবার একটি পরিসংখ্যান উপস্থাপন করে যাত্রী কল্যাণ সমিতি; এতে নিহতের সংখ্যা ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের প্রকাশ করা সংখ্যার চেয়ে সাড়ে তিন হাজার বেশি। 'নিরাপদ সড়ক চাই’ এর মতো যাত্রী কল্যাণ সমিতিও সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির এই প্রতিবেদন তৈরি করে। সড়কমন্ত্রী কাদের বলেন, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ এর প্রতিবেদনে দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা পাঁচ হাজার তিনজন। কিন্তু এখানে হঠাৎ করে একটি রিপোর্ট উপস্থাপন করলেন যাতে তথ্য-প্রমাণ নেয়ার মত কোনো মেকানিজম নেই। চট করে এসে উপস্থাপন করলেন, এখানে সভাপতি ও মহাসচিব একজনই, তিনিই সব কিছু করেন, বাকী বিষয়গুলো বললাম না। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব পরিচয় দিয়ে মোজাম্মেল হক চৌধুরী নামে একজন জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সড়ক দুর্ঘটনার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। সমিতির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সালে সারাদেশে ছয় হাজার ৫৮১টি ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ৮ হাজার ৬৪২ জন নিহত এবং ২১ হাজার ৮৫৫ জন আহত হন। আর গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর নিরাপদ সড়ক চাই হিসাব দেখিয়েছিল, ২০১৫ সালে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ হাজার ০৩ জন নিহত হয়, যা ২০১৪ সালের চেয়ে দেড় হাজার কম। যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের বলেন, এই রিপোর্ট যখন মিডিয়াতে আসে তখন বিভ্রান্তি সৃস্টি হয়, রিপোর্ট তথ্য ভিত্তিক হলে ভাল হয়।