শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৭

ব্যবসা বাণিজ্য

নিয়ম ভঙ্গ করে পুঁজিবাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করায় ৭ ব্যাংককে জরিমানা

নিয়ম ভঙ্গ করে পুঁজিবাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করায় ৭ ব্যাংককে জরিমানা

নিয়ম ভঙ্গ করে পুঁজিবাজারে নির্ধারিত সীমার বেশি বিনিয়োগ করায় ৭ ব্যাংককে জরিমানা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোকে ১০ লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত জুলাই মাস থেকে পুঁজিবাজারে মূল্যসূচক বাড়তে শুরু করলে বাংলাদেশ ব্যাংক মনিটরিং জোরদার করে। গত ১১ সেপ্টেম্বর এক নির্দেশনায় ব্যাংকগুলোকে নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিদিনের লেনদেনের আলাদা তথ্যসহ সাপ্তাহিক প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। এর আগে পর্যন্ত সপ্তাহের মোট কেনা-বেচার তথ্য দিলেই চলতো। নতুন ফরম্যাটে প্রতিবেদন নেওয়ার পাশাপাশি কিছু ব্যাংক পরিদর্শন করা হয়।

মোবাইলে যুক্ত হচ্ছে জাল নোট শনাক্তে বিশেষ পদ্ধতি

মোবাইলে যুক্ত হচ্ছে জাল নোট শনাক্তে বিশেষ পদ্ধতি

আসল ব্যাংক নোট ও জাল নোটের মধ্যে পার্থক্য করা অনেক সময় কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আর ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের হাতে জাল নোট চলে আসলে ক্ষতির সম্মুখীন হন তারা। অনেকক্ষেত্রে আইনগত জটিলতায়ও পড়তে হয়। এ সমস্যার সমাধান করতে সবার হাতের নাগালে আসছে প্রযুক্তি। মোবাইল ফোন সেটের মাধ্যমে যাচাই করা যাবে আসল টাকার নোট। মোবাইল ফোনে সংযোজন করা হচ্ছে ইউভি টর্চ লাইট। আসল নোটের উপর এ টর্চ লাইটের আলো ফেললে লুকায়িত বিশেষ নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য চোখে পড়বে। পরীক্ষামূলকভাবে একটি কোম্পানি তাদের একটি সাধারণ মডেলের ফোনসেটে ইউভি লাইট যুক্ত করে বাজারে ছেড়েছে। আর জালনোট প্রতিরোধে এটি কতটুকু কার্যকর তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আসল ব্যাংক নোটে বেশ কিছু নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য আছে যা খালি চোখে দেখা যায় না। এগুলো লুকায়িত থাকে। জালনোট খালি চোখে হুবুহু আসল নোটের মত দেখতে হলেও লুকায়িত এসব নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য জালনোটে দেওয়া থাকেনা। ব্যাংকসহ অন্য বড় প্রতিষ্ঠানে জালনোট শনাক্তকরণে মেশিন ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ওই মেশিন সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন না। কিছু ছোট যন্ত্র থাকলেও তা আলাদাভাবে বহন করতে হয়। তাই নিত্যব্যবহার্য পণ্যের মাধ্যমে জালনোট শনাক্ত করার উপায় খুঁজছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। মোবাইল ফোনে ইউভি লাইট ব্যবহার করে জালনোট প্রতিরোধের বিষয়টি উদ্ভাবন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক কাজী আবদুল মান্নান। এছাড়া তিনি স্মার্ট ফোনের ক্যামেরা ব্যবহারে করে আসল নোটের কিছু বৈশিষ্ট্য যাচাই করার পদ্ধতি বের করেছেন।

জালিয়াতির আশ্রয় : ইউরোপে বাংলাদেশের নামে পণ্য রপ্তানি করছে অন্য দেশ

জালিয়াতির আশ্রয় : ইউরোপে বাংলাদেশের নামে পণ্য রপ্তানি করছে অন্য দেশ

জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের নামে ইউরোপের বাজারে পণ্য রপ্তানির অভিযোগ উঠেছে এশিয়ার একাধিক দেশের বিরুদ্ধে। সমপ্রতি বাংলাদেশের দুটি কোম্পানির নামে রপ্তানি হওয়া ১১ হাজার বাইসাইকেলের ৫টি চালান আটক করা হয়। আটক করা ওইসব চালান জার্মানি হয়ে পোল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ায় যাওয়ার কথা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এশিয়ারই দেশ চীন, ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলঙ্কা থেকে এসব চালান রপ্তানি করা হয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে এভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে বাংলাদেশের নামে ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে পণ্য রপ্তানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বছরও বাংলাদেশের নামে ইউরোপে রপ্তানিকালে ২৩৬টি চালানে সন্দেহ তৈরি হলে তা আটক করা হয়। পরবর্তীতে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ৩৩২টিই ভুয়া সনদ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সন্দেহের তালিকায় থাকা চালানের মাত্র চারটি প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

খালেদা জিয়া লন্ডনে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন :নাসিম

খালেদা জিয়া লন্ডনে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন :নাসিম

আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু হয়েছে। আর এই চক্রান্তের মূল হোতা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। সেই অশুভ কালো হাত আবার ছোবল দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছে। জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে হত্যা করার জন্য চক্রান্ত করা হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহর রহমতে ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তত্পরতার কারণে ওই চক্রান্ত এবারও সফল হয়নি।’ স্বাধীনতা বিরোধীরা যাতে আর কোনোদিন বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না আসতে পারে সে জন্য দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে ৩৬টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা চেয়েছে

বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে ৩৬টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা চেয়েছে

বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে রফতানি বাড়াতে তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ ৩৬টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা চেয়েছে ।  বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড যৌথ বাণিজ্য কমিশনের (জেটিসি) বৈঠক শেষে বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু এ তথ্য জানান।

বাণিজ্য সচিব বলেন, থাইল্যান্ড জানিয়েছে, আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশকে যদি শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয় তা হলে সব দেশকে সুবিধা দিতে হবে। আমরা বলেছি, আমাদের যে পণ্য অন্য দেশের নেই সেসব পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিতে। বাণিজ্য সচিব বলেন, থাইল্যান্ডে পাট রফতানিতে আমদের ৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়। তাই পাটসহ ৩৬টি পণ্যে আমরা শুল্কমুক্ত সুবিধা চেয়েছি।বৈঠকে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মাধ্যমে সে দেশের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহবান জানানো হয়েছে।

ভ্যাট প্রদানে অনলাইন নিবন্ধনই কার্যকর হচ্ছে,

ভ্যাট প্রদানে অনলাইন নিবন্ধনই কার্যকর হচ্ছে,

নতুন ভ্যাট আইন (মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন) স্থগিত হলেও অনলাইনে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের (ই-বিআইএন) আওতায় আসতে হচ্ছে সব ব্যবসায়ীকে। অর্থাত্ বিদ্যমান ১১ ডিজিটের পরিবর্তে ৯ ডিজিটের বিআইনের অধীনেই সব ধরণের হিসাব কার্যক্রম চলবে। তবে বিদ্যমান আইন অনুযায়ীই ভ্যাটের হার নির্ধারণ হবে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা বিদ্যমান বিআইএনের অধীনে ভ্যাট প্রদান করতে পারবেন। কিন্তু জানুয়ারি থেকে তা চালু থাকবে না। এছাড়া যে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে একাধিক ইউনিটের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে একটি ই-বিআইএন গ্রহণ করেছে, তারা চাইলে প্রত্যেকটি ইউনিটের জন্য আলাদা নিবন্ধন নম্বর নিতে পারবে। না চাইলে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি ই-বিআইএনের অধীনেই ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করে ভ্যাট প্রদান করতে পারবে। এ বিষয়ে রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বুধবার একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে ‘কার তুমি আমার’ কনজ্যুমার অফারের মেগা র‌্যাফেল ড্র

চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে ‘কার তুমি আমার’ কনজ্যুমার অফারের মেগা র‌্যাফেল  ড্র

রাজধানীর চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘কার তুমি আমার’ কনজ্যুমার অফারের মেগা র‌্যাফেল ড্র।গতকাল রবিবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে চ্যানেল আইয়ে সরাসরি সম্প্রচারের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় মেট্রোসেম সিমেন্টের ৩ মাস ব্যাপী চলা ‘কার তুমি আমার’ কনজ্যুমার অফারের মেগা র‌্যাফেল ড্র।

মাত্র ১০ ব্যাগ মেট্রোসেম সিমেন্ট ক্রয় করলেই ১টি নতুন গাড়িসহ ১০টি মেগা পুরস্কার জেতার সম্ভাবনা-ই ছিল ‘কার তুমি আমার’ অফারের মূল আকর্ষণ। অফারে ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি জেতা সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি, কুমিল্লা জেলা থেকে ৬২০০০ নং কুপন ধারী জনাব মোঃ ফয়সাল এবং টাঙ্গাইল জেলা থেকে ১৬৬৮৩২ নং কুপন ধারী মিস সুমি এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে ৬৯৪২৮ নং কুপন ধারী সৈয়দপুর ট্রেডার্স, অফারের আওতায় জিতেছেন একটি করে মোটরসাইকেল। গাড়ি ও মোটরসাইকেল ছাড়াও আরো ৭জন বিজয়ী জিতেছেন সনি ব্রাভিয়া ৫৬, এলইডি টিভি ও আইফোন।

এফএসএসপি থেকে ৩৫ কোটি ডলারের ৭৫ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

এফএসএসপি থেকে ৩৫ কোটি ডলারের ৭৫ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বিশ্ব ব্যাংকের ‘ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট (এফএসএসপি)’ থেকে দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সুবিধা প্রাপ্তির লক্ষ্যে রফতানিভিত্তিক কোম্পানিগুলোর করা প্রায় ৩৫ দশমিক ২৯ কোটি মার্কিন ডলারের ৭৫ টি প্রকল্প প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি)।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার বলেন,‘ আমরা ইতোমধ্যে ৪৩ টি প্রস্তাবের ১৯ দশমিক ২৮ কোটি মার্কিন ডলার অনুমোদন করেছি। এর মধ্যে ৩১টি প্রস্তাবের মার্কিন ১০ দশমিক ০১ ডলার বিতরণ করা হয়েছে। অনুমোদিত অবশিষ্ট অর্থ বিতরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।’ তিনি বলেন, অনুমোদিত মোট ফান্ড থেকে কিছু আংশিক বিতরণ করা হয়েছে এবং আরো কিছু মেশিনারি আমদানির জন্য বিতরণ প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে, যা এলসি খোলার পর বিতরণ করা হবে।

বিবি সূত্র জানায়, আবেদনপত্রগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে পাঠানো হয়, যার মধ্যে তিনটি প্রস্তাব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং ১৬টি বিশ্ব ব্যাংক বাতিল করেছে।

অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্স ২৩৯ গার্মেন্টসের সঙ্গে ব্যবসা বাতিল করেছে

অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্স ২৩৯ গার্মেন্টসের সঙ্গে ব্যবসা বাতিল করেছে

যথা সময়ে সংস্কার কাজ শেষ করতে না পারা এবং অসহযোগিতা করার অভিযোগে এ পর্যন্ত দেশের ২৩৯টি গার্মেন্টসের সঙ্গে ব্যবসা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপ ও আমেরিকার দুটি জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স। এ দুটি জোট বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সংস্কার কার্যক্রম দেখভাল করছে। ব্যবসা বাতিলের ঘোষণা দেওয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করছে ইউরোপ ও আমেরিকার এমন প্রায় আড়াইশ’ ব্র্যান্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কোন ধরণের ব্যবসা করতে পারবে না। ইতোমধ্যে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স তাদের ওয়েবসাইটে এসব কারখানার নাম ও ব্যবসা বাতিলের কারণ জানিয়েছে। আগামী কয়েক মাসে এ তালিকায় আরো কারখানা যুক্ত হতে পারে।

এ বছর ঈদে অনলাইন বিক্রি প্রায় ৫০০ কোটি টাকা

এ বছর ঈদে অনলাইন বিক্রি প্রায় ৫০০ কোটি টাকা

দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অনলাইন বেচাকেনা। এই ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ভার্চুয়াল জগতে পণ্য ব্যবসা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি জমেছে। শাড়ি, থ্রিপিস, শার্ট, পাঞ্জাবি, মোজা থেকে শুরু করে টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল— হরেক রকম পণ্য বিক্রি হচ্ছে অনেকটা আঙুলের ছোঁয়াতেই। অনলাইন ব্যবসায় জড়িতরা জানান, ঈদ উপলক্ষে বিখ্যাত ব্র্যান্ড, ছোট উদ্যোক্তাদের স্বল্প পরিসরের ব্যবসা কিংবা ফেসবুক কেন্দ্রিক ই-দোকানগুলো ঢেলে সাজিয়েছে নিজেদেরকে। ক্রেতারা শুধু রাজধানী বা জেলা শহরগুলোর শপিংমলে সীমাবদ্ধ না থেকে অনলাইন সাইট ও ফেসবুকেও ভিড় জমিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সব মিলিয়ে এ বছর ঈদ মৌসুমে অনলাইন বিক্রি প্রায় ৫০০ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। প্রতিষ্ঠানভেদে অনলাইন বেচাকেনার হার গতবারের চেয়ে এবার ৩০ থেকে শতভাগ পর্যন্ত বেড়েছে।

ব্যাংকে আমানতের সর্বনিম্ন সুদ ৫ শতাংশের নিচে

ব্যাংকে আমানতের সর্বনিম্ন সুদ ৫ শতাংশের নিচে

দেশের বিনিয়োগে মন্দা অবস্থা বিরাজ করছে। উদ্যোক্তারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছেন না। আর খেলাপি ঋণের বোঝা তো আছেই। ফলে ব্যাংকিং খাতে অলস টাকা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে পরিচালন ব্যয় কমাতে ব্যাংকগুলো আমানতের সুদহার কমাচ্ছে। যাতে নতুন করে আমানত না আসে সেটাই চাচ্ছে ব্যাংকগুলো। এতে ব্যাংকে আমানতের সুদহার দাঁড়িয়েছে ৫ শতাংশের নিচে। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির হার প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ। অর্থাত্ এক বছরে ব্যাংকে রাখা টাকার ক্রয়ক্ষমতা যতটুকু কমছে সে পরিমাণ সুদও পাচ্ছেন না আমানতকারী। এতে লোকসানে পড়ছেন তারা। এর উপরে এক্সসাইজ ডিউটি (আবগারি শুল্ক) ও অন্যান্য চার্জের খড়গ তো আছেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এপ্রিল শেষে ব্যাংকিং খাতের আমানতের গড় সুদের হার চার দশমিক ৯৭ শতাংশে নেমে গেছে। দেশের ইতিহাসে আমানতে সুদের হার কখনো এত নিচে নামেনি। গত বছর এপ্রিল শেষে আমানতের গড় সুদহার ছিল পাঁচ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আর তার আগের বছর ছিল সাত দশমিক ০৪ শতাংশ। অন্যদিকে, মার্চ শেষে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে পাঁচ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এখনকার পরিস্থিতি বিষয়ে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমানতের সুদের হার শুধু নিচে নেমেছে—তাই নয়, মূল্যস্ফীতির থেকেও নিচে নেমে গেছে। যা খুবই বিপজ্জনক। এতে আমানতকারীরা ব্যাংকের আমানত রাখার ক্ষেত্রে বিমুখ হবেন। যা ব্যাংকিং খাতের জন্য ভাল নয়। আর মানুষের হাতে পুঁজি আটকে গেলে পুরো অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।