শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

এসএমই

এসএমই খাতে ৬ কোটি যুবকের কর্মসংস্থান-জাতীয় যুব দিবস আজ

এসএমই খাতে ৬ কোটি যুবকের কর্মসংস্থান-জাতীয় যুব দিবস আজ

বাংলাদেশের সমস্যাগুলোর অন্যতম হলো বেকারত্ব। তবে দেশের মানুষ নিজস্ব উদ্ভাবনী শক্তির পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এসএমই) মাধ্যমে সে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছে। আর এক্ষেত্রে সফল হচ্ছেন বেশিরভাগই। এসএমই খাতে কোটি যুবকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। গত এক বছরের হিসাবেই দেখা গেছে, এ খাতে ৬ কোটি ১৭ লাখ বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে- যা দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৬৩ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের বড় শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ছে না। তবে এসএমই খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। শিল্প খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে সরাসরি যেহেতু কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় সে কারণে এসএমই ঋণ বিতরণ বাড়াতে ব্যাংকগুলোকে সবসময় উত্সাহিত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানা যায়, চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন) এ খাতে প্রায় ৬৯ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যা গত বছরের তুলনায় ২৪ শতাংশ বেশি। চলতি বছরে এসএমই খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় এক লাখ ১৩ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা। যা গত বছরের তুলনায় সাড়ে আট শতাংশ বেশি। তবে আলোচ্য সময়ে মোট লক্ষ্যমাত্রার ৬১ দশমিক ৩৮ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।

ঢাকায় সাউথ এশিয়ান এসএমই ফোরামের সম্মেলন শুরু বৃহস্পতিবার

ঢাকায় সাউথ এশিয়ান এসএমই ফোরামের সম্মেলন শুরু বৃহস্পতিবার

আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকায় শুরু হচ্ছে সাউথ এশিয়ান দেশগুলোর এসএমই ফোরামের দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন (সাউথ এশিয়ান কান্ট্রিজ এসএমই সামিট। এ বছরের আয়োজনে ৮টি দেশের ৩০০ ব্যবসায়ী ও এসএমই সংগঠক অংশ নেবেন। জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি (নাসিব) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সম্মেলনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া সার্কভুক্ত দেশের ব্যবসায়ী, এসএমই ফোরাম এবং উন্নয়ন প্রতনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। সাউথ এশিয়ান কান্ট্রিজ এসএমই ফোরাম এবং নাসিব যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করছে। শিল্প মন্ত্রনালয় এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাট্রিজ (এফবিসিসিআই) এই শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনে সহযোগিতা করছে। এবারের সম্মেলনে ‘এসএমইস ইন সাউথ এশিয়া উইথ স্পেশাল রেফারেন্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এমেরিটাস প্রফেসর ডক্টর মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। অর্থনীতি ও জাতীয় উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য এই সম্মেলনে ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা/সংগঠককে সাউথ এশিয়ান কান্ট্রিজ এসএমই ফোরামের পক্ষ থেকে পুরস্কার দেয়া হবে। এসএমই ফোরামের প্রথম সামিট অনুষ্ঠিত হয় ভারতের কলকাতায়।

নতুন শিল্পনীতিতে বাড়ানো হচ্ছে এসএমইর মূলধন ভিত্তি

নতুন শিল্পনীতিতে বাড়ানো হচ্ছে এসএমইর মূলধন ভিত্তি

নতুন শিল্পনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ বা শিল্পের (এসএমই) মূলধন ভিত্তি ২০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৫০ কোটি করা হচ্ছে। নীতিটি চূড়ান্ত অনুমোদন হলে যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ) ১৫ থেকে ৫০ কোটি টাকা হবে সেই উদ্যোগও এসএমইর আওতায় আসবে। এছাড়া এসএমইর অন্য খাত যেমন- ক্ষুদ্র, মাঝারি, কুটির ও মাইক্রো উদ্যোগ এবং উদ্যোক্তার মূলধন ভিত্তিতে পরিবর্তন এনে নতুন করে সংজ্ঞায়নও করা হচ্ছে। এর ফলে অধিক উদ্যোক্তাকে এসএমইর আওতায় এনে ঋণ সুবিধা দেয়া যাবে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। দেশে অর্থনীতির আকারের সঙ্গে সমন্বয় করে এই মূলধন ভিত্তি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে বলে শিল্প মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়। তবে ৫০ কোটির উদ্যোগকে বৃহৎ বলছেন অনেকে। ফলে এ খাতে ঋণ অনিয়ম ঢুকে যেতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।আগামী পাঁচ বছরের জন্য তৈরিকৃত শিল্পনীতি ২০১৫ নামের এই নীতির খসড়া ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়। এখন মন্ত্রিপরিষদে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ কোন পরিবর্তন না করলে আগামী মার্চের মধ্যেই শিল্পনীতিটি পাস হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (নীতি) ইয়াসমিন সুলতানা। তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই শিল্পনীতি সংক্রান্ত কমিটি তাদের কাজ শেষ করেছে। বিভিন্ন পক্ষের মতামত নিয়ে আমরা খসড়াও চূড়ান্ত করেছি। এখন শুধু অনুমোদনের অপেক্ষা। অনুমোদন হলেই আমরা গেজেট করব। আমরা শীঘ্রই এটি মন্ত্রিপরিষদে পাঠাব। এরপর সেখানে অনুমোদন হতে যতদিন লাগে। তবে মনে হয় না খুব বেশি দেরি হবে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে কিংবা মার্চের শুরুতেই অনুমোদন হবে বলে আমরা আশা করছি।কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, এসএমইর আওতা বাড়ানো হলে বেশি উদ্যোক্তা এই খাতের আওতায় আসবে। ফলে তাদের এ খাতের বিভিন্ন সুযোগের আওতায় নিয়ে আসা যাবে। এর ফলে ব্যাংকগুলোর অলস অর্থ এসএমইর আওতায় বেশি ঋণ দেয়া যাবে যার মধ্যে ঝুঁকি কম। কারণ এসএমইতে ঋণ খেলাপি কম হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ব্যাংকগুলো বড় বড় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ঋণ দিয়ে আটকে যাচ্ছে। ফলে নানা অনিয়ম দেখা দিচ্ছে একই সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির গতিও তেমন বাড়ছেনা। তাই নতুন মুদ্রানীতিতে ব্যাংকগুলোকে এসএমইতে ঋণ দিতে উৎসাহিত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক যার নাম দিয়েছে নতুন গ্রোথ ইঞ্জিন। এতে করে অলস ব্যাংকিং থেকে ব্যাংকগুলোকে বের করে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে কাজে লাগানো যাবে। তবে এসএমই ঋণেরমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মাঝারি শিল্প, ক্ষুদ্র শিল্প, মাইক্রো শিল্প, কুটির শিল্প, ও নারী উদ্যোক্তকে এসএমই'র আওতায় সুযোগ সুবিধা দেয়া হয়। বর্তমানে প্রচলিত ২০১০ শিল্পনীতি অনুসারে উৎপাদন (ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের) ও সেবা (সার্ভিস) এই দুই খাতে শিল্প উদ্যোগকে সংজ্ঞায়ন করা হয়েছে। এছাড়া ঋণ বিতরণ সুবিধার্থে পরবর্তীতে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এর মধ্যে ব্যবসায় উদ্যোগের সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যা তাদের মাস্টার সার্কুলারের মধ্যে অন্তভুক্ত করা হয়। ফলে বর্তমানে উৎপাদন, সেবা ও ব্যবসা ক্যটাগরিতে ঋণ দেয় ব্যাংকগুলো। নতুন শিল্পনীতিতেও একই ধারা অব্যহত রয়েছে। এতে ব্যবসায় উদ্যোগের কোন সংজ্ঞা দেয়া হয়নি। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংজ্ঞায়ন করবে বলে শিল্পমন্ত্রণালয় জানিয়েছে।মাঝারি শিল্প : ২০১০ শিল্পনীতি অনুসারে এখন পর্যন্ত 'মাঝারি শিল্প' (মিডিয়াম ইন্ডাস্ট্রি) বলতে- সেই প্রতিষ্ঠানকে বোঝায় যার জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য (প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ) ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের (উৎপাদন) ক্ষেত্রে ১০-৩০ কোটি টাকা অথবা ১০০-২৫০ জন শ্রমিক কাজ করে, সেবার ক্ষেত্রে ১-১৫ কোটি টাকা বা ৫০-১০০ জন শ্রমিক কাজ করে এবং ব্যবসার ক্ষেত্রে ১-১৫ কোটি টাকা বা ১১-৫০ জন কর্মী কাজ করে। প্রস্তাবিত শিল্পনীতি ২০১৫ তে মাঝারি শেল্পের সজ্ঞায় পরিবর্তন করে উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্থায়ী সম্পদের মূল্য নিম্নে ৫ কোটি টাকা বাড়ালেও সর্বোচ্চ সীমা বাড়ানো হয়েছে ২০ কোটি টাকা। কোন রকম পরিবর্তন না হলে 'মাঝারি শিল্প' বলতে সেই প্রতিষ্ঠানকে বলা হবে যার উৎপাদনের ক্ষেত্রে সম্পদ মূল্য ১৫-৫০ কোটি টাকা বা ১২১-৩০০ জন শ্রমি রয়েছে, সেবার ক্ষেত্রে ২-৩০ কোটি টাকা বা ৫১-১২০ জন শ্রমিক রয়েছে।ক্ষুদ্র শিল্প : একই ভাবে 'ক্ষুদ্র শিল্প' বা উদ্যোগের (স্মল ইন্ড্রাস্ট্রিজ) সেই প্রতিষ্ঠানকে বুঝাবে যার উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৭৫ লাখ থেকে ১৫ কোটি টাকা বা ৩১-১২০ জন শ্রমিক রয়েছে, সেবার ক্ষেত্রে ১০ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা বা ১৬-৫০ জন শ্রমিক রয়েছে। বর্তমানে 'ক্ষুদ্র উদ্যোগ' বলতে এমন প্রতিষ্ঠানকে বুঝায় যার উৎপাদনের ক্ষেত্রে ৫০ লাখ থেকে ১০ কোটি টাকা বা ২৫-৯৯ জন শ্রমিক রয়েছে, সেবার ক্ষেত্রে ৫ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা বা ৬-১০ জন শ্রমিক রয়েছে।মাইক্রো শিল্প : নতুন শিল্পনীতিতে 'মাইক্রো শিল্প' বলতে সেই প্রতিষ্ঠানকে বুঝাবে উৎপাদনের ক্ষেত্রে যার স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১০-৭৫ লক্ষ টাকা বা ১৬-৩০ জন শ্রমিক থাকবে, সেবার ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ টাকার নীচে বা ১৫ জনের কম শ্রমিক থাকবে। ২০১০ সালের শিল্পনীতি অনুসারে এখন পর্যন্ত উৎপাদনের ক্ষেত্রে সম্পদ মূল্য ৫-৫০ লাখ টাকা বা ১০-২৪ জন শ্রমিক থাকলে এবং সেবা শিল্পে ৫ লাখ টাকার নীচে বা সর্বোচ্চ ১০ জন শ্রমিক থাকলে তাকে 'মাইক্রো শিল্প বা উদ্যোগ' বলা হয়।কুটির শিল্প : পরিবর্তন আনা হচ্ছে কুটির শিল্পের সংজ্ঞাতেও। ১০ লাখ টাকার নিচে সম্পদ মূল্য বা ১৫ জনের কম শ্রমিক থাকলে তাকে বলা হবে 'কুটির শিল্প'। বর্তমানে কুটির শিল্পের ৫ লাখ টাকা সম্পদ মূল্য ও অনধিক ১০ জন শ্রমিক থাকতে হয়।নারী উদ্যোক্তা : নারী উদ্যোক্তাদের সংজ্ঞা থাকছে আগের মতোই। এক্ষেত্রে যদি কোন নারী ?'ব্যক্তিমালিকানাধীন বা প্রোপ্রাইটরি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে স্বত্বাধিকারী বা প্রোপ্রাইটর হন' কিংবা 'অংশীদারী প্রতিষ্ঠান' বা জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধিত প্রাইভেট কোম্পানির পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডারগণের মধ্যে' নূ্যনতম ৫১ শতাংশে মালিক হন তাহলে তিনি নারী শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে বিবেচিত হবেন।

এসএমইর উন্নয়নে ২০ কোটি ডলার ঋণ দেবে এডিবি

এসএমইর উন্নয়নে ২০ কোটি ডলার ঋণ দেবে এডিবি

গ্রামের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এসএমই) উন্নয়নে ২০ কোটি ডলার ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বর্তমান বিনিময় হার (১ ডলার সমান ৭৮ টাকা) অনুযায়ী, এর পরিমাণ ১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার এডিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গ্রামের এসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য এ ঋণ দেওয়া হলেও নারীরা অগ্রাধিকার পাবে। মূলত যেসব নারী উদ্যোক্তারা খুচরা ব্যবসা করেন এবং স্বল্প শিক্ষিত তারাই এ ঋণের সুবিধা পাবেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সহজ শর্তে গ্রামের নারী উদ্যোক্তাদের মধ্য দীর্ঘ মেয়াদে এ ঋণ দেওয়া হবে। ঢাকা এবং চট্টগ্রাম শহরের বাইরে ১৫ শতাংশ অর্থ নারী উদ্যোক্তারা পাবেন। এডিবি দক্ষিণ এশিয়ার আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞ পিটার মারো বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, গ্রামের যেসব নারী উদ্যোক্তারা ব্যাংক ঋণ পেতে সংগ্রাম করছেন, তারাই এ ঋণ সুবিধা পাবে। কুটির শিল্প এবং এসএমই খাতকে আরও এগিয়ে নিতে এডিবি এই ঋণ সহযোগিতা দিচ্ছে। সংস্থাটি বলছে, দেশে ৭২ লাখ এসএমই উদ্যোক্তা থাকলেও বেশ কিছু বাধা রয়েছে। এর মধ্যে অর্থায়ন সঙ্কট, বিদ্যুৎ না পাওয়া, পরিবহন সমস্যা, শ্রম মূল্য বৃদ্ধি এবং অদক্ষতা বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। উল্লেখ্য, এডিবি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এর সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে সংস্থাটি আর্থিক সহায়তার একটি বড় অংশ বাংলাদেশকে প্রদান করছে। এডিবি এ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের অধিক ঋণ দিয়েছে। উন্নয়ন সহায়তার ক্ষেত্রে এডিবি প্রধানত বিদ্যুৎ, জ্বালানি, স্থানীয় সরকার, পরিবহন, শিক্ষা, কৃষি, পানি সম্পদ এবং সুশাসন খাতকে প্রাধান্য দেয়।